পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, এ বছর সরকারি অর্থে কেউ হজে যাবেন না। হজের ব্যয় কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিফ্রিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এ বছর কেউ সরকারি অর্থে হজে যাবেন না। হজ ব্যবস্থাপনার জন্য যাদের যেতে হয় কেবল তারা যাবেন। হজের ব্যয় কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যতটা সম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে। হজের প্যাকেজ এই মাসের শেষেই ঘোষিত হবে। তখন আপনারা দেখতে পারবেন আমরা কতটা কমিয়েছি।
তিনি বলেন, হজ নিয়ে আমাদের ব্যবস্থাপনা সৌদির ব্যবস্থাপনা সবকিছু মিলিয়ে করতে হয়। সেহেতু ৩০ তারিখ পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

সূত্র জানায়, সরকারি খরচে হজ পালন নিয়ে প্রচুর সমালোচনা থাকলেও অনেকেই এ জন্য রীতিমতো তদবির পর্যন্ত করেন। প্রতিবছর সরকারি অর্থে অবসরপ্রাপ্ত সচিব থেকে শুরু করে বিচারপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই হজে যান।
চলতি বছর ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭১ জনকে হজ পালনের জন্য সৌদি আরব পাঠায় আওয়ামী লীগ সরকার। এর আগের বছর সরকারি খরচে হজে যান ২৩ জন।
এর আগে ২০২৩ সালের ২২ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানিয়েছিলেন, সরকারি খরচে ২০২২ সালে ২৫৪ জনকে হজে পাঠানো হয়েছে।

সংসদে তিনি আরও জানান, ২০১৪ সাল থেকে সরকার নির্দিষ্ট সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে সরকারি খরচে হজপালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাঠানোর কার্যক্রম চালু করে। এর মধ্যে ২০২০ ও ২০২১ সালে মহামারি করোনার কারণে কাউকে হজে পাঠানো হয়নি। এই দুই বছর ছাড়া গত সাত বছরে ১ হাজার ৯১৮ জনকে সরকারি খরচে হজে পাঠানো হয়েছে।
এর মধ্যে ২০১৪ সালে ১২৫ জন, ২০১৫ সালে ২৬৮ জন, ২০১৬ সালে ২৮৩, ২০১৭ সালে ৩৩৪, ২০১৮ সালে ৩৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩১৪ এবং ২০২২ সালে ২৫৪ জনকে সরকারি খরচে হজে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে আপনার মতামত জানাতে পারেন..
Follow us : https://www.facebook.com/questifyznews?mibextid=ZbWKwL
QuestifyZ News